চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগ ও ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু। তিনি বলেছেন, খেলাধুলার উন্নয়নে শুধু সরকার নয়, ক্রীড়া সংগঠক, কাউন্সিলর, পৃষ্ঠপোষকসহ সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে নগরের কাজীর দেউড়ির একটি কনভেনশন হলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়া সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত মিলনমেলা ও নৈশভোজে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর আবুল হাশেম বক্কর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
ইসরাফিল খসরু বলেন, চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত লিগ আয়োজন হচ্ছে না, অনেক খেলাই মাঠ পাচ্ছে না—যা ক্রীড়াঙ্গনের জন্য উদ্বেগজনক। মাঠের স্বল্পতা, অবকাঠামোগত দুর্বলতা এবং পর্যাপ্ত ইনডোর সুবিধার অভাব ক্রীড়া বিকাশে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেলোয়াড়ই ক্রীড়ার মূল শক্তি। খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, পারিশ্রমিক কাঠামোর উন্নয়ন এবং খেলার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। একই সঙ্গে খেলোয়াড়দের অবসর-পরবর্তী জীবন নিয়েও পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন।
ক্রীড়াকে টেকসই করতে ‘স্পোর্টস ইকোনমি’ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণের মতো পরিবেশ তৈরি করতে না পারলে নতুন প্রজন্ম এই খাতে আসবে না। এজন্য বিনিয়োগ বাড়ানো এবং স্পনসরশিপ আকৃষ্ট করার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। শুধু ক্রিকেট বা ফুটবল নয়, সব ধরনের খেলাধুলাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে হবে। নারী ক্রীড়ার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতা পেলে মেয়েরাও ক্রীড়াঙ্গনে আরও বড় অবদান রাখতে পারে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব হাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, সিজেকেএস ক্লাব সমিতি সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহীন আফতাবুর রেজা চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবউদ্দিন শামীম প্রমুখ।









