মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা

রাঙামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়িতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সহযোগী সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ধর্মসিং চাকমাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে কুতুকছড়ি আবাসিক এলাকায় নিজ বাসায় অবস্থান করছিলেন ধর্মসিং চাকমা। এসময় একটি সশস্ত্র দল বাড়িটি ঘিরে ফেলে। এসময় ধর্মসিং চাকমা পালাতে চাইলে অস্ত্রধারীরা ব্রাশফায়ার করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান ধর্মসিং। গুলির ঘটনায় ধর্মসিং এর দুইবোন গুলিবিদ্ধ হয় বলে জানিয়েছে ইউপিডিএফ। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে (পিসিজেএসএস) দায়ী করেছে ইউপিডিএফ।

যদিও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ অস্বীকার করে জেএসএসের কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, প্রতিপক্ষের সঙ্গে গোলাগুলিতে ইউপিডিএফের একজন নিহত হয়েছে বলে খবরটি আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখতে পেয়েছি। তবে এর সাথে জনসংহতি সমিতির জড়িত বা দায়ী থাকার প্রশ্ন আসে না। কেন না জনসংহতি সমিতি যুদ্ধ করছে না।’

এদিকে, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম নেতা গুলিতে নিহতের পর রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করছে ইউপিডিএফ কর্মীরা।

রাঙামাটির কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন বলেন, আমি শুনেছি একজন গুলিবৃদ্ধ হয়ে মারা গেছেন এবং দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছি। গেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

এর আগে, ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ রাঙামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়ি থেকে ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের দুই নেত্রী অপহরণের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে পালিয়ে যায় গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের নেতা ধর্মসিং চাকমা। সে বার পালিয়ে গেলেও ৮ বছর পর গুলিতে নিহত হলেন ধর্মসিং চাকমা।

 

[print_link]

WhatsApp
Facebook
X
LinkedIn
Email
Telegram