মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিটি স্তরে সহমর্মিতা ও সেবার সংস্কৃতি গড়ে তোলাও জরুরি : মেয়র ডা. শাহাদাত

প্রতিটি স্তরে সহমর্মিতা ও সেবার সংস্কৃতি গড়ে তোলাও জরুরি : মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে বিস্তৃত করতে পারলেই সুস্থ ও সুন্দর জাতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ ও সংকটের সময় মানুষের মানসিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা যেমন প্রয়োজন, তেমনি সমাজের প্রতিটি স্তরে সহমর্মিতা ও সেবার সংস্কৃতি গড়ে তোলাও জরুরি।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৫ উপলক্ষে “সেবার প্রাপ্যতা: দুর্যোগ ও জরুরি অবস্থায় মানসিক স্বাস্থ্য” প্রতিপাদ্য নিয়ে শুক্রবার চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে পাবলিক হেলথ বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি) এবং মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি) এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সোলায়মান। সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউট অব এপ্লায়েড হেলথ সায়েন্সেস (আইএইচএস)-এর মনোরোগবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শফিউল হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. ফজলে রাব্বি এবং দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ম্যানেজিং ট্রাস্টি শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন ইউএসটিসির পাবলিক হেলথ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক প্রনয় কুমার মজুমদার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. শুভ্র প্রকাশ দত্ত।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগ (পেডিয়াট্রিক মেডিসিন)-এর সহকারী অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য এখন আর অবহেলার বিষয় নয়— বিশেষ করে দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের মানসিক স্থিতি বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো সহায়তা ও সচেতনতা বৃদ্ধিই মানসিক সুস্থতার মূল চাবিকাঠি।

মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শফিউল হাসান মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষন, প্রকারভেদ ও প্রতিকার সম্পর্কে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সায়েন্টিফিক পার্টনার হিসেবে সার্বিক সহযোগিতায় ছিল রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (Renata PLC)।

 

[print_link]

WhatsApp
Facebook
X
LinkedIn
Email
Telegram